Showing posts with label রোহিঙ্গা. Show all posts
Showing posts with label রোহিঙ্গা. Show all posts

Tuesday, February 25, 2020

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন


স্টাফ রিপোর্ট।। কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলা সেগারান।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ১৮নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন। এ সময় মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী কোনো রোহিঙ্গা এবং সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেননি।

মন্ত্রী ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে উখিয়ার টিএন্ডটি গুচ্ছগ্রাম এলাকায় অবস্থিত মালয়েশিয়ান ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তিনি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, সেবা নিতে আসা রোগীদের নিকট থেকে চিকিৎসার মান যাচাই করেন।

এ সময় ঢাকাস্থ মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত আমির ফরহাদ বিন আবু হাসান, কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এসএম সরওয়ার কামাল, বিভিন্ন ক্যাম্পের ইনচার্জসহ (সিআইসি) অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি ছয় দিনের সফরে বাংলাদশে আসেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলা সেগারান।

Sunday, February 2, 2020

রোহিঙ্গাদের ৮০ লাখ পাউন্ড দিল যুক্তরাজ্য

রোহিঙ্গাদের ৮০ লাখ পাউন্ড দিল যুক্তরাজ্য


স্টাফ রিপোর্ট।। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় ইহুদীবাদী সংস্থা জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) কার্যক্রমে আরও ৮০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড (১ কোটি ২ লাখ ইউএস ডলার) অনুদান দিয়েছে যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সংস্থা ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট
ডিএফআইডির সদ্য এ অনুদানের মাধ্যমে ডব্লিউএফপি ২ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ শরণার্থীকে ইলেকট্রনিক ভাউচারের (ই-ভাউচার) আওতায় তিন মাস খাদ্য সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম হবে প্রোগ্রামের মাধ্যমে শরণার্থী শিবিরে অবস্থানরত পরিবারবর্গ ২৫টি ডব্লিউএফপি-সমর্থিত দোকান থেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী কিনতে পারে
ই-ভাউচার আউটলেট থেকে কেনাকাটা করার জন্য পরিবারগুলো প্রতি মাসে সদস্যপ্রতি ৯ ইউএস ডলার (৭৭০ টাকা) করে পেয়ে থাকে অর্থ ডব্লিউএফপির একটি প্রি-পেইড অ্যাসিসটেন্ট কার্ডে থাকে যা ব্যবহার করে পরিবারগুলো দোকান থেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী ক্রয় করতে পারে, যেমন টাটকা ফলমূল, শাকসবজি, মাছ, ডিম, মুরগি, মসলা এবং অন্যান্য সামগ্রী কিনতে পারে
ই-ভাউচারের দোকানগুলো স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দ্বারা পরিচালিত হয়, তাই স্থানীয় জনগণ আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ পায়
প্রসঙ্গে ডব্লিউএফপির প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচারড রেগান বলেন, যুক্তরাজ্যের এ অনুদান আমাদের ই-ভাউচারের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তামূলক কার্যক্রমগুলো অব্যাহত রাখার সুযোগ করে দিয়েছেস্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বাজার ব্যবস্থাপনা স্থাপনে ই-ভাউচার সক্রিয় ভূমিকা রাখছেএই দোকানগুলোতে প্রাপ্ত খাদ্য সামগ্রীর প্রায় সবই কক্সবাজারের বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত, তাই ই-ভাউচারের কারণে স্থানীয় জনগণও নানাভাবে উপকৃত হচ্ছে২০২০ সালের মাঝামাঝি নাগাদ সব শরণার্থীকে ই-ভাউচারের আওতায় আনার ব্যাপারে ডব্লিউএফপি আশাবাদী
আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে বন্ধুকযুদ্ধের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, ৭ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের হিসাব অনুযায়ী ডব্লিউএফপি প্রতি মাসে অন্তত ৮লাখ ৪২ হাজার ১০০ জন শরণার্থীকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছেএদের মধ্যে অর্ধেক শরণার্থী ই-ভাউচারের মাধ্যমে সহায়তা পেয়ে থাকে, এবং বাকি অর্ধেক সরাসরি খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির মাধ্যমে চাল, ডাল ও তেল পেয়ে থাকেডিএফআইডির সহযোগিতায় ডব্লিউএফপি ইতোমধ্যে একটি পরীক্ষামূলক কৃষি বাজার চালু করেছে যেখান থেকে পরিবারবর্গ বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী যেমন চাল, ডাল, তেল ইত্যাদি অনুদান হিসেবে গ্রহণ করে থাকেএসব বাজারের মাধ্যমে ক্যাম্পে বসবাসরত শরণার্থীরা টাটকা কৃষিপণ্য, মাছ, মাংস ইত্যাদি সহজেই সংগ্রহ করতে পারে
ডিএফআইডির মাধ্যমে যুক্তরাজ্য সরকার কক্সবাজারে ডব্লিউএফপির কর্মকাণ্ডে উদারভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে চলেছেডিএফআইডি ইতোমধ্যে ২০১৭ সালে ১ কোটি ১৩ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড, ২০১৮ সালে ১ কোটি ৭০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড এবং ২০১৯ সালে ২ কোটি ৪ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড অনুদান রেখেছে

Friday, January 10, 2020

রোহিঙ্গা গণহত্যাঃ মিয়ানমারের সামরিক ব্যাংকের সাথে আর কোনো লেনদেন করবে না ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন

রোহিঙ্গা গণহত্যাঃ মিয়ানমারের সামরিক ব্যাংকের সাথে আর কোনো লেনদেন করবে না ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। বিশ্বের নেতৃস্থানীয় অর্থ ট্রান্সফারকারী প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন উগ্র সন্ত্রাসী মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর মালিকানাধীন ব্যাংকের সাথে লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

উগ্র সন্ত্রাসী মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সাথে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর যে ডার্টি লিস্টরয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ছিল এই ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন। দুটো অধিকার গ্রুপ বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকে এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন ফর দ্য রোহিঙ্গা ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ওই তালিকা প্রকাশ করেছিল।

বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকেকে বুধবার এক ইমেইলে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন জানিয়েছে যে, তারা উগ্র সন্ত্রাসী মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন মিয়াওয়াদ্দি ব্যাংকের সাথে চুক্তি শেষ করেছে, যেটা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। অধিকার গ্রুপটি এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্তব্যের জন্য চেষ্টা করেও ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। কিন্তু মিয়াওয়াদ্দি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা আনাদোলু এজেন্সিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা আনাদোলু এজেন্সিকে জানায় যে, “আমাদের ব্যাংক থেকে আর ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের সেবা পাওয়া যাবে না। ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নই এই চুক্তি বাতিল করেছে

অধিকার গ্রুপটি জানিয়েছে, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নকে এখন ডার্টি লিস্ট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকের পরিচালক মার্ক ফার্মেনার বলেছে যে, সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন কোম্পানির সাথে ব্যবসায় বন্ধকারী এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হলো ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন।

সে ইমেইলে আনাদোলু এজেন্সিকে জানায়, “এই পদক্ষেপ অন্যান্য কোম্পানিগুলোর উপর চাপ বাড়াবে যাতে তারাও সামরিক বাহিনীর সাথে ব্যবসায় বন্ধ করে

সে আরও বলেছে, “যে সব কোম্পানি সামরিক বাহিনীর সাথে ব্যবসা করছে, তারা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য তাদেরকে সহায়তা করছে

নির্যাতিত জনগোষ্ঠি

বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠি হিসেবে পরিচিত রোহিঙ্গারা ২০১২ সালের সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় কয়েক ডজন মানুষ নিহতের পর থেকে সবসময় আতঙ্কের মধ্যে বাস করে আসছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতে, ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর সামরিক বাহিনীর বর্বর নিধন অভিযান থেকে প্রাণ বাঁচাতে নারী শিশুসহ ৭৫০,০০০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এই নিয়ে বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১.২ মিলিয়নের উপরে চলে গেছে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে উগ্র সন্ত্রাসী মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনী প্রায় ২৪,০০০ রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যা করেছে। অন্টারিও ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট এজেন্সি (ওআইডিএ) তাদের এক রিপোর্টে এ তথ্য জানিয়েছে।
জঙ্গলে মিলল রোহিঙ্গা কিশোরীর মরদেহ

জঙ্গলে মিলল রোহিঙ্গা কিশোরীর মরদেহ


স্টাফ রিপোর্ট।। কক্সবাজারের টেকনাফ দমদমিয়া পাহাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ সাহেনা আক্তার (১২) নামে এক রোহিঙ্গা কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিকালে হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া কেয়ারি জাহাজ ঘাটের পশ্চিম দিকের একটি পাহাড়ের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত কিশোরী হ্নীলা নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের বি ব্লকের ১০৬৯ নং শেডের ১ নং রুমের ৬১১৯৫ নং এমআরসিধারী আব্দুলাহর মেয়ে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) এবিএমএস দোহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের সুরুতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানা যায়, অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এই কিশোরীকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে জঙ্গলে ফেলে যায়। তার গলায় মুখ ও কানে জখমের চিহ্ন রয়েছে।

Saturday, January 4, 2020

রোহিঙ্গা ‘হত্যাযজ্ঞের’ কথা অস্বীকার করেনি মিয়ানমারঃ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা ‘হত্যাযজ্ঞের’ কথা অস্বীকার করেনি মিয়ানমারঃ পররাষ্ট্রমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্ট।। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞচালানোর বিষয়টি অস্বীকার করেনি মিয়ানমার। তবে গণহত্যাবিষয়টি নিয়ে আপত্তি করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার সকালে ভোরের কাগজ, শিল্পকলা একাডেমি এবং বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলানয়তনে ফ্ল্যাশ অন রোহিঙ্গা জেনোসাইডশীর্ষক ফটোগ্রাফি প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার সরকার ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বার বার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়নে তারা সিরিয়াস নয়। দেশটির রাজনৈতিক নেতা অং সান সু চি ও সেনাপ্রধানের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। এ কারণে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বার বার বললেও তা বাস্তবায়ন করছে না।

তিনি বলেন, মিয়ানমারে নির্যাতিত হয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গারা মাদকসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। তাদের জন্য কক্সবাজার অঞ্চলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূতসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পালিয়ে আসার চিত্র ধারন বিষয়ে অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন চিত্র সাংবাদিক কে এম আসাদ। পরে রোহিঙ্গা সম্পর্কিত একটি প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলার প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ওআইসির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করেছি। সেখানে তারা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে। কিন্তু এখনো নিচ্ছে না। আবার রোহিঙ্গারা নিরাপত্তার কারণে সেখানে যেতে চাইছে না। আমরা বলেছি, রোহিঙ্গাদের নেতাদের নিয়ে বোঝাতে, মিয়ানমার সেটাও করছে না।

আটদিন ব্যাপী ফ্ল্যাশ অন রোহিঙ্গা জেনোসাইডশীর্ষক ফটোগ্রাফি প্রদর্শনীতে চারজন চিত্রসংবাদিক কে এম আসাদ, সুমন পাল, মাহমুদ হোসেন অপু ও সালাউদ্দিন আহমেদ পলাশের তোলা ১২১টি চিত্র স্থান পেয়েছে। উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছাড়াও দেশ বিদেশের দর্শনার্থীরা ভিড় জমান।