![]() |
আন্তর্জাতিক
ডেস্ক।। ভারতে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের জোর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানো
এবং আপত্তি তোলায় মারধর
ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলা এই অভিযোগের তালিকায় শেষ সংযোজন মুর্শিদাবাদের
সাগরদিঘি।
ভারতীয়
সংবাদ মাধ্যম আনন্দ বাজার পত্রিকার বরাতে জানা যায়, গত রবিবার সকালে সাগরদিঘির জনসি এলাকায় মাদ্রাসা
পড়ুয়া এক কিশোরকে ধরে জোর করে ‘জয়
শ্রীরাম’ বলানো
হয়। আপত্তি তোলায় রাজিবুল আলম নামে ওই পড়ুয়াকে বেধড়ক মারধরও করা হয়। তার পর মোটর
সাইকেল নিয়ে উধাও হয়ে যায় দুই মালাউন যুবক।
স্থানীয়
বাসিন্দাদের দাবি, বেশ
কয়েকটি মোটরবাইকে ইসলামপুর থেকে তারকেশ্বর যাচ্ছিল জনা দশেক যুবক। ভোরের দিকে বেলপুকুর
এলাকায় এসে পৌঁছয় তারা। সেই সময়ে জাতীয় সড়ক ধরে সাইকেলে মাদ্রাসা যাচ্ছিল রাজিবুল।
ওই কিশোর বলছে, ‘‘ওরা
আমার সামনে এসে ঘ্যাঁস করে ব্রেক কষে মোটরবাইক থামায়। তার পর বলতে থাকে, ‘বল জয়
শ্রী রাম, জোরে
জোরে বল!’ আমি
জানতে চাই, জয়
শ্রী রামের মানে কি? তখন
আমাকে সাইকেল থেকে নামিয়ে পেটাতে থাকল ওরা।’’ আহত রাজিবুলকে ভর্তি করানো হয় জঙ্গিপুর মহকুমা
হাসপাতালে।
খবর ছড়িয়ে
পড়তেই বেলপুকুর এলাকায় রাস্তায় বসে পড়েন আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা। অবরোধের জেরে
জাতীয় সড়কের দু’ধারে
থমকে যায় যান চলাচল। এই সময়ে অবরোধের মুখে এসে দাঁড়ায় আরও দু’টি মোটরবাইকে
জনা চারেক যুবক, তাদেরও
গন্তব্য তারকেশ্বর। জনতা এ বার তাদের ধরে পেটাতে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই দুই
যুবকও মারধরে অভিযুক্তদের সঙ্গী,
মোটরবাইক খারাপ হয়ে গিয়েছিল বলেই পিছিয়ে পড়েছিল তারা।
আহত মাদ্রাসা
ছাত্রটির আত্মীয় আক্তারুল আলম বলছেন, “পাঁচটি মোটরবাইকে অন্তত দশ জন তারকেশ্বরের
দিকে যাচ্ছিল। প্রথম দু’টি
বাইকে যারা ছিল তারা রাজিবুলকে মারধর করে পালায়।
বাকিরা পিছিয়ে পড়েছিল। একটু পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই জনতা তাদের ধরে ফেলে।’’
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
ভারত
মুসলিম নির্যাতন

0 facebook: