![]() |
মালয়েশিয়ার
রাজধানী কুয়ালালামপুরে সামিট ২০১৯-এ দেয়া বক্তৃতায় তিনি এ সমালোচনা করেন।
এরদোগান
বলেন, “আমরা
যদি এখনো ফিলিস্তিন ইস্যুতে কোনো কিছু করতে না পারি, আমরা যদি এখনো আমাদের সম্পদ শোষণ করা বন্ধ
করতে না পারি, যদি
এখনো আমরা বলতে না পারি যে,
মুসলিম বিশ্বে সাম্প্রদায়িক বিভাজন বন্ধ করো- তাহলে এটা চলতেই
থাকবে।”
মুসলিম
বিশ্বের বিভিন্ন সংকট ও দুর্দশায় এ পর্যন্ত ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি তেমন
কোনো কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে নি। এরদোগান দৃশ্যত ওআইসি-কে লক্ষ্য করেই এসব কথা বলেছেন।
কুয়ালালামপুর সামিটে সৌদি রাজা সালমান বিন আব্দুল আজিজ অংশ নিতে অস্বীকার করেছে। এরপর
ওআইসি গতকাল বলেছে, সৌদিভিত্তিক
এ সংস্থার বাইরে এ ধরনের বৈঠক ডাকা মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ-বিরোধী।
প্রেসিডেন্ট
এরদোগান বলেন, কুয়ালালামপুর
সম্মেলন মুসলিম নেতাদের জন্য মুক্তভাবে ইসলামফোবিয়া থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদ, বিভক্তি, অন্তর্কলহ, আমাদের
অঞ্চল ধ্বংস করা এবং সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত সংঘাতের মতো বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনার
সুযোগ এনে দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট
এরদোগান তার বক্তৃতায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পূনর্গঠনের আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, এ সংস্থার স্থায়ী এ পাঁচটি
দেশ বিশ্বের ১৭০ কোটি মুসলমানের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না। এসব দেশের চেয়ে বিশ্ব
অনেক বড়।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
তুরষ্ক

0 facebook: