![]() |
এসব পণ্য
কিনতে বিভিন্ন দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন ভারতীয়রা। অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট
বা ই-বের মতো বড় বড় অনলাইন শপিং সাইটগুলোতে নিয়মিত অর্ডার চলছে।
সম্প্রতি
ভারত সরকারের এক ঘোষণার পরই গরুজাত পণ্য তৈরি ও ব্যবসায় আগ্রহী হয়েছেন অনেক ভারতীয়
ব্যবসায়ী।
মোদি
সরকারের ঘোষণা ছিল– গরুজাত
পণ্যের কোনো উদ্যোগ নিলে তাতে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেবে সরকার।
২০১২
সাল থেকেই গোবর দিয়ে নানা ধরনের পণ্য তৈরি করছেন কাওপ্যাথি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের
মালিক উমেশ সনি।
৩৬ বছর
বয়সী মুম্বাইয়ের এই বাসিন্দা পেশায় একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট। সম্প্রতি তার প্রতিষ্ঠানের
তৈরি গোবরের সাবান বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
গোবরের
শ্যাম্পু ও টুথপেস্ট তৈরি করা হয় উমেশ সনির প্রতিষ্ঠানে। সম্প্রতি গরুর মূত্র প্রক্রিয়াজাত
করে তা থেকে কফিও তৈরি করে সফল হয়েছেন এই মাইক্রোবায়োলজিস্ট।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ নিউজকে তিনি জানায়, প্রথম দিকে কেউ তেমন কিনত না। বিশ্বাসও করত
না অনেকে। তখন এসব পণ্য গিফট করতাম। আর গোবরের তৈরি পণ্য পেয়ে সবাই খুশি হতো।
তবে বর্তমানে
চিত্রটি পাল্টে গেছে বলে জানান উমেশ। সে বলেছে, এখন ৪০০-এর বেশি পাইকারি বিক্রেতা এসে আমার
পণ্য নিয়ে যায়। আগে থেকেই টাকা জমা দিয়ে বুকিং দিতে হয় তাদের। বর্তমানে আমার এই প্রতিষ্ঠানের
বার্ষিক টার্নওভার আড়াই কোটি রুপির বেশি।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
ভারত
হিন্দু সমাচার

0 facebook: