![]() |
আন্তর্জাতিক
ডেস্ক।। তীব্র বিরোধে ক্ষতবিক্ষত বছরটির শেষ ভাগ অতল গহ্বরে নিজেকে টেনে নেয়ার প্রেক্ষাপটে
সিএএ (সংশোধিত নাগরিক আইন)-বিরোধী ও এনপিআর (জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধন)-বিরোধী বিক্ষোভের
মাধ্যমে ভারতীয় মুসলিমেরা অবশেষে নীরব থাকতে বা অদৃশ্যমান থাকতে অস্বীকৃতি জানিয়ে রাস্তায়
বের হয়ে এসেছে।
তাদের মধ্যে যাদের
বয়স কম, তাদের সামাজিক গণমাধ্যমে হাজির হতে কোনো
সমস্যা হয়নি। ভারতের মুসলিমেরা
বুঝতে পেরেছে যে তাদের আর চুপ করে থাকার অবকাশ নেই, তাদেরকেই লড়াই করতে
হবে।
ভারতের স্বাধীনতার
পর থেকে প্রায় সাত দশক ধরে দেশটির মুসলিম জনসাধারণ, দাঙ্গার সামান্য
কিছু সময় বাদ দিলে, তাদের ক্ষোভ প্রকাশ
থেকে বিরতই থেকেছে। তারা তাদের রাজনীতির
বিষয়টি প্রকাশ করার জন্য ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস বা মুসলিম লিগের বিভিন্ন সংস্করণের
মতো রাজনৈতিক দলের ওপর নির্ভর করেছে।
কিন্তু বছর শেষের
বিক্ষোভে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তারা আর রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। একইভাবে বলা যায়, ভারতে যে রাজনৈতিক শূন্যতা (বিক্ষোভে আসলে কোনো নেতা থাকে
না) দেখা দিয়েছে সে কারণে শিক্ষিত ও তরুণ মুসলিমদের নতুন প্রজন্ম আর কোনো একটি রাজনৈতিক
দলের সাথে থাকার প্রয়োজন দেখছে না।
এমন ধারা টিকে গেলে
তা ভবিষ্যতের জন্য বড় একটি ঘটনা হিসেবে গণ্য হতে পারে। এর মানে এটিও যে সংখ্যালঘুদের ভোট ব্যাংক
হিসেবে পরিচিত কংগ্রেস ভারতীয় মুসলিমদেরকে মূলধারায় আনতে পারেনি, আর মেরুকরণের শক্তি বিবেচিত সন্ত্রাসী দল বিজেপি নিজস্ব হিন্দুত্ববাদী
মতাদর্শের কারণেই একমুখী ধারা সৃষ্টি করতে পেরেছে।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
ভারত
মুসলিম নির্যাতন

0 facebook: