![]() |
পর্যায়ক্রমে
নগরে তারের জঞ্জাল কমাতে টেলিফোন,
ইন্টারনেট,
ক্যাবল লাইনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সব তার ভূগর্ভে নেওয়া হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প (বিউবো) সিলেটের প্রকল্প
পরিচালক কেএম নাজিম উদ্দিন।
বিদ্যুতের
খুঁটি ও তারের জঞ্জাল মুক্ত হওয়ায় বাড়তি সৌন্দর্য বেরিয়েছে এই এলাকার। ফলে সিলেটকে
ডিজিটাল সিটি করার লক্ষ্যে কাজ একধাপ এগোলো বলে মনে করছেন নগরের বাসিন্দারা।
বিদ্যুৎলাইন
মাটির নিচে নেওয়ার পর সোমবার (৬ জানুয়ারি) দিন থেকে রাত অব্দি খুঁটি সরানোর কাজ করেন
বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন। এরপর বেরিয়ে আসে খুঁটিহীন নগরের সৌন্দর্য।
আর সরকারের
এই উদ্যোগকে আরেকটি নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সিলেটের মানুষ। এই সৌন্দর্যকে ধারণ
করতে ছবি তুলে অনেকে নিজেদের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেছেন। প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মন্তব্য।
প্রকল্প
পরিচালক কে এম নাজিম উদ্দিন বলেন,
এটা সিলেটবাসীর জন্য পরম সৌভাগ্যের। সিলেটের মানুষের জন্য যেটা
করা দরকার আমরা একাগ্রতার সঙ্গে করে যাচ্ছি। সিলেটের মেয়রও দিনরাত উপস্থিত থেকে কাজের
তদারকি করছেন।
সিসিক
মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন,
সিলেটকে স্মার্টনগরে রূপ দিতে তারের জঞ্জাল (বৈদ্যুতিক লাইন) পাতালে
নেওয়া হচ্ছে। আর পাতাল বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণের ফলে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে সিলেটবাসী।
ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণ তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির একটি ছিলো বলেন তিনি।
এ প্রকল্প শেষ হলে পর্যাক্রমে পুরো নগরীর বৈদ্যুতিক লাইন আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে।
এ বিষয়ে
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার নজরে রয়েছে সিলেট। এ কারণেই কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম মাটির
নিচ দিয়ে বিদ্যুতের তার নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সিলেটে একটি ইতিহাস রচিত হলো।’
খবর বিভাগঃ
জাতীয়
সিলেট বিভাগ

0 facebook: