Friday, January 10, 2020

পেটে লাথি মেরে উগ্রহিন্দুত্ববাদী পুলিশ বলেছিল পাকিস্তানে চলে যাও!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। উগ্রহিন্দুত্ববাদী ভারতে মুসলিম বিরোধী নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ করায় ১৯ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন দেশটির সমাজকর্মী সাদাফ জাফর।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) জামিনে মুক্তি পেয়ে দেশটির উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী উগ্রহিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী যোগী আদিত্যনাথের উগ্রহিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী পুলিশের ভয়াভহ অত্যাচারের বর্ণনা করেন তিনি।

সাদাফ জাফর জানান, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে করা মিছিলে পুলিশ আমাকে গালিগালাজ করছিল। আমাকে প্রথমে একজন উগ্রহিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী নারী পুলিশকর্মী চড় মারে। তারপর মারে এক পুরুষ অফিসার। ওই পুরুষ অফিসার নিজেকে ইন্সপেক্টর জেনারেল পদমর্যাদার অফিসার বলে দাবি করেছিল। এই উগ্রহিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী আমার পেটে লাথি মারে এবং বলে পাকিস্তানে চলে যাও।

সাদাফ জাফর আরো বলেন, এরপর হযরতগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের জেল হেফাজতে থাকাকালীন কেউ আমার সঙ্গে দেখা করতে এলে তাকে আটকে রাখা হত। মনে হতো, আমি যেন ব্ল্যাক হোলের মধ্যে রয়েছি। জেলের মধ্যে থাকাকালীন এই ঠাণ্ডাতেও আমাকে কম্বল বা খাবার দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ দেখাতে গেলে বহু নিরপরাধ মানুষকে গ্রেপ্তার করে উগ্রহিন্দুত্ববাদী যোগী আদিত্যনাথের সন্ত্রাসী পুলিশ।

ওই দিন নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ ফেসবুক লাইভে তুলে ধরছিলেন বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী সাদাফ জাফর। পরে উগ্রহিন্দুত্ববাদী পুলিশ তাকে নির্মমভাবে অত্যাচারের পর গ্রেফতার করে। সদাফ জাফরের গ্রেপ্তারের ঘটনায় সারা ভারতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।


শেয়ার করুন

0 facebook: