Saturday, January 11, 2020

ক্রুসেডার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যস্থতায় আসতে পারে পুতিন!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। ক্রুসেডার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা যখন বাড়ছে, তখন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজেকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নিয়ে আসার চেষ্টা করতে পারে বলে দাবি করেছে সাবেক মার্কিন ক্রুসেডারদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী উইলিয়াম কোহেন। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিএনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে সে এমন দাবি করেছে।

কোহেন বলেছে, আমি মনে করি, প্রেসিডেন্ট পুতিন চেষ্টা করতে যাচ্ছেন, তিনি জড়িত হচ্ছেন এবং এখানে একজন শান্তিপ্রতিষ্ঠাকারী হবেন।

মেইন থেকে নির্বাচিত সাবেক এই রিপাবলিকান সিনেটর বলেছে, আমি মনে করি, পুতিন এগিয়ে এসে বলবে, আপনাদের এই সমস্যার সমাধানে আমাকে সহায়তার সুযোগ দিন, ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের আমলে পেন্টাগন প্রধানেরও দায়িত্ব পালন করেছে কোহেন।

সাম্প্রতিক ট্রাম্প-ইরান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চলছে। কোহেন বলেছে, আমি কিছুটা আশাবাদী যে শান্তিপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রাশিয়া এগিয়ে আসবে। সিরিয়ায় যেমনটা হয়েছে, তেমনি ইরাক থেকে আমেরিকানদের চলে আসার ক্ষেত্রে রাশিয়ার সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ দেখতে পেয়েছে সে।

পাঁচ বছর আগের পরমাণু চুক্তিকে কেন্দ্র করে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে জার্মানি ও ফ্রান্স। যদিও জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর চুক্তি থেকে প্রায়ই সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

২০০১ সালে কোহেন গ্রুপ কনসালটেন্সির প্রতিষ্ঠা করে উইলিয়াম কোহেন। বললো, বহুপক্ষীয় পরমাণু চুক্তি থেকে ২০১৮ সালে ট্রাম্প একতরফাভাবে সরে আসার ঘোষণা দেয়ার পর ইরান তার পরমাণু স্থাপনাগুলো কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তা নিয়ে একটি চুক্তির মধ্যস্থতার চেষ্টা করতে পারে রাশিয়া।

সে বলেছে, ইরানও চাচ্ছে প্রতিবেশী ইরাক থেকে মার্কিন সেনারা সরে যাক। যাতে রাশিয়ার খুশি হওয়ার কথা। মধ্যপ্রাচ্য ও সিরিয়ার রাজনীতিতে বড় খেলোয়াড়ের ভূমিকা রেখে আসছে মস্কো।

এদিকে কোনো হতাহতের উদ্দেশ্যে ইরাকি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালায়নি বলে দাবি করেছে বিপ্লবী গার্ডসের এক কমান্ডার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈরিতা এড়াতেই এমনটা করা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা বলে আসছিল।

বুধবার সকালেই ইরাকের দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে একডজনের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। বর্তমানে দুই পক্ষই যুদ্ধের কিনার থেকে সরে গিয়েছে।

ইরানি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলী হাজিজাদেহ বলেন, আমরা তাদের হত্যা করতে চাইনি। তিনি বিপ্লবী গার্ডসের এয়ারোস্পেস ফোর্সের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন।


শেয়ার করুন

0 facebook: