![]() |
আন্তর্জাতিক
ডেস্ক।। উত্তর বাগদাদের একটি ইরাকি বিমান ঘাঁটিতে একযোগে অনেকগুলো রকেট নিক্ষেপ করা
হয়েছে। এতে স্থানীয় ইরাকি বাহিনীর চার সেনা আহত হয়েছে।
ওই বিমানঘাঁটিতে
ক্রুসেডার মার্কিন সেনারাও অবস্থান করছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আল-বালাদ
বিমানঘাঁটিতে আটটি ক্যাটইউশা রকেট এসে পড়লে দুই ইরাকি কর্মকর্তা ও বিমানবাহিনীর দুই
সদস্য আহত হয়েছে।-খবর এএফপির
উত্তর
ইরাকি প্রদেশ সালাদিনের পুলিশ কর্মকর্তা কর্নেল মুহম্মদ খলিল বলেন, বেশ কয়েকটি
রকেট বালাদ বিমানঘাঁটির রানওয়েতে আঘাত হেনেছে। ফটকেও গিয়েও পড়েছে একটি।
তিনি
বলেন, এসময়
বিমান ঘাঁটির ফটকে পাহারারত তিন ইরাকি সেনা আহত হয়েছে। এ পর্যন্ত হামলার দায় কেউ স্বীকার
করেনি বলেও জানা গেছে।
ইরাকের
এফ-১৬ বিমানের প্রধান ঘাঁটি হচ্ছে আল-বালাদ। বিমান সক্ষমতা বাড়াতে এসব বিমান ক্রুসেডার
যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল।
ক্রুসেডার
মার্কিন ঠিকাদারসহ দেশটির বিমান বাহিনীর একটি দল এই ঘাঁটিতে অবস্থান করছে। যদিও গত
দুই সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার কারণে বড় একটি সংখ্যক অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
একটি
সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন
উপদেষ্টা এবং স্যালিপোর্ট ও লকহিড মার্টিনের কর্মীদের ৯০ শতাংশ তাজি ও ইরবিল থেকে সরিয়ে
নেয়া হয়েছে। এসব কর্মীরা বিমান ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ বলে জানা গেছে।
সূত্র
জানায়, সেখানে
১৫ জনের বেশি ক্রুসেডার মার্কিন সেনা ও একটি বিমানের বাইরে কিছু নেই। বাকিরা সবাই চলে
গেছে।
গত কয়েক
মাস ধরেই বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন সেনারা রকেট হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়ে
আসছে। যদিও এসব হামলায় ইরাকি বাহিনীই বেশি আহত হয়েছে। গত মাসে ক্রুসেডার যুক্তরাষ্ট্রের
এক বেসামরিক ঠিকাদার নিহত হয়েছেন।
ইরানের
শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্র ড্রোন হামলা চালিয়ে
হত্যা করার পর থেকে উত্তেজনা চলছে মধ্যপ্রাচ্যে।
ওই হামলার
জবাবে গত বুধবার ইরান ইরাকে ক্রুসেডার মার্কিন সেনা অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র
হামলা চালায়। তবে তাতে ক্রুসেডার যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর কেউ হতাহত হয়নি।
এরই মধ্যে
ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইউক্রেনীয় একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৭৬
জন যাত্রী নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠায় ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয়। তেহরানে এখন নিজেদের
সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নেমেছে ইরানিরা।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
আমেরিকা
মধ্যপ্রাচ্য

0 facebook: