![]() |
আন্তর্জাতিক
ডেস্ক।। গত ১১ই জানুয়ারি শনিবার সিরিয়ার ইদলিব সিটিতে বিমান হামলার মাধ্যমে কুফ্ফার
রাশিয়া ও উগ্রপন্থী শিয়া ধর্মাবলম্বী আসাদ সন্ত্রাসী জোট বাহিনীগুলো ৩টি ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ
চালিয়েছে মুসলিমদের উপর।
যার মধ্যে
প্রথম হামলাটি চালানো হয় ইদলিব শহরের একটি কলেজ ও তার আশপাশের আবাসিক এলাকাগুলোতে।
যার ফলে দু’জন
মহিলা ও এক শিশু সহ ৮ জন বেসামরিক নাগরিক শহীদ হয়েছেন এবং আরো ৪০ জন আহত হয়েছেন।
কুফ্ফার
ও মুরতাদ বাহিনী তাদের দ্বিতীয় গণহত্যাটি চালায় ইদলিব সিটির “আন-নাইরব” এলাকায়।
যেখানে কুফ্ফার ও শিয়া মুরতাদ বাহিনী ৫ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে, তাদের
মধ্যে একটি শিশু ও দুই মহিলাও রয়েছে, এছাড়াও আরো ১২ জন বেসামরিক নাগরীককে আহত
করে তারা, যাদের
বেশিরভাগই ছিলেন শিশু ও মহিলা।
আসাদের
বিমানগুলি ইদলিবের পূর্ব বেননাশ শহরের একটি জনপ্রিয় বাজারকে লক্ষ্য করে তাদের তৃতীয়
গণহত্যাটি চালায়, এখানেও
তারা ৭ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছিল, যারা সকলেই শিশু ও মহিলা, যারা
দক্ষিণাঞ্চল থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছিল, এছাড়াও
আরও ২৫ জন বেসামরিক নাগরীককে গুরুতর আহত করেছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু এবং মহিলা।
অন্যদিকে
মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত হওয়ার ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভের মধ্যে ইদলিবের অনেক পল্লী
গ্রাম এবং শহরগুলিতেও তীব্র অভিযান চালায় মুরতাদ শিয়া সন্ত্রাসীরা।
এদিকে
মুক্ত এলাকাগুলোতে মুরতাদ আসাদ ও শিয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ৮০ টি ধর্মঘট পালন করেন
সাধারণ সিরিয়ান নাগরিকরা। এসময় মুক্ত অঞ্চলগুলিকেও লক্ষ্যবস্তু করে অগণিত শেল ও রকেট
হামলা চালায় মুরতাদ শিয়া সন্ত্রাসীরা। যার ফলে অনেক বেসামরিক নাগরিক হতাহত হন।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
মধ্যপ্রাচ্য
মুসলিম নির্যাতন

0 facebook: