আন্তর্জাতীক ডেস্ক।। উগ্রহিন্দুত্ববাদী ভারতে
বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে সমর্থকরা মঙ্গলবার নয়া দিল্লির অশোক নগরে একটি
মসজিদে আগুন দেয়ার
ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি।
বুধবার এ খবর জানিয়েছে পাক গণমাধ্যম ডন অনলাইন। দেশটিতে
নাগরিকত্ব সংধোশনী
আইন পাসের পর থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে বিশেষ করে মুসলিমরা। এর অংশহিসেবে রোববারও
আন্দোলন চলতে থাকে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুইদিনের ভারত
সফরকে কেন্দ্র করে সোমবার ও মঙ্গলবার সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে মঙ্গলবার উত্তর-পশ্চিম নয়া দিল্লিতে হিন্দু ও
মুসলিমদের মধ্যে
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। আজ বুধবার পর্যন্ত এ সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এ
ছাড়া আহত হয়েছে ২ শতাধিক।
মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে
দেখা যায় মসজিদ
ভাঙচুর চালাচ্ছে সংঘর্ষে অংশ নেয়া হিন্দুরা। মসজিদের মিনারে উঠে মাইক খুলে ফেলছে। মিনারটির
উপরে উঠে হনুমান ও ভারতীয় পতাকা লাগাচ্ছে। মোবাইলে ধারণ করা ওই ভিডিওতে শোনা যায় জয় শ্রি রাম ও হিন্দুকা
হিন্দুস্তান। ছড়িয়ে পড়া
ওই ভিডিওটি সংবাদ সংস্থা এএফপি ভেরিফায়েড করেছে বলে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়।
তবে বুধবার এএফটির প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দিন সকালে মানুষ
দেখেছে মসজিদটির অভ্যন্তরীণ অংশকে কালো করে ফেলা হয়েছে।
মঙ্গলবার গভীর রাতে করা প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভির টুইটে বলা হয়, আরেকটি অপমানজনক কাজের রূপ দেয়া।
একটি মসজিদ ভাঙচুর করা!এটি মনে হয় মুসলিমদের বাবরি মসজিদের ভাঙচুরের কথা মনে করিয়ে দেয়া।
তিনি ওই টুইট বার্তায় লেখেন, আমি মনে করি যে,
এই
ধরনের বর্বরোচিত কাজের বিরুদ্ধে
ভারতের অভ্যন্তরে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির উত্থান হওয়া উচিত।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
পাকিস্তান

0 facebook: