![]() |
আন্তর্জাতীক ডেস্ক।। প্রাণঘাতী
করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে
উগ্রহিন্দুত্ববাদী ভারতে জনতা কারফিউ ঘোষণা করেছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
মোদি।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে করোনা নিয়ে
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে
জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে সে
কারফিউ জারির এ ঘোষণা দেয়।
উগ্র হিন্দুত্ববাদী মোদি
বলে, রোববার
থেকে দেশে জনতা কারফিউ কার্যকর হবে। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দেশের প্রত্যেক নাগরিককে এই কারফিউ বাধ্যতামূলকভাবে মেনে
চলতে হবে।
উগ্রহিন্দুত্ববাদী ভারতে
প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত ১৯৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছে অন্তত চারজন। করোনাভাইরাস
মহামারির বিষয়ে উগ্রহিন্দুত্ববাদী
মোদি বলে, পুরো পৃথিবী এই মুহূর্তে
বিশাল সঙ্কটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের চেয়েও বেশি দেশ আক্রান্ত হয়েছে।
সে বলে, করোনা আতঙ্কের মুখোমুখি হয়েছে ১৩০কোটি ভারতীয়। প্রত্যেক ভারতীয় পূর্বসতর্কতামূলক
ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করছেন। কিন্তু গত কয়েকদিনে এটা মনে হয়েছে যে, আমরা এই সঙ্কটে আক্রান্ত হয়েছি। মহামারিতে আমরা এখনও নিরাপদ আছি; এমন চিন্তা-ভাবনা করাটা
ভুল। আমাদের প্রত্যেক ভারতীয়র
সতর্ক
হওয়া উচিত।
তিনি বলেন,
আমি
আপনাদের কাছ থেকে কয়েক সপ্তাহ চাই। আমি আপনাদের সামনের দিনগুলো চাই। বৈশ্বিকভাবে
করোনার কোনও নিরাময় নেই। এখন পর্যন্ত কোনও ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। করোনা যেসব দেশে ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছে; সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে নয়, বরং প্রথম কয়েকদিন পর এর
বিস্ফোরণ ঘটেছে।করোনার ক্রমবর্ধমান
চ্যালেঞ্জ সাধারণ কোনও বিষয় নয়।
উগ্রহিন্দুত্ববাদী ভারতে এর কোনও প্রভাব পড়বে না; এমন ধারণা ঠিক নয়। দুটি
বিষয় অনুস্মরণ করা দরকার: সজাগ এবং সতর্ক।
মোদি বলে,
একেবারে
প্রচণ্ড প্রয়োজন ছাড়া আগামী কয়েক সপ্তাহ বাড়ি থেকে বের হবেন না। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে আমাদের সকলে নিরাপদ
থাকার জন্য এই সতর্কতা
বাধ্যতামূলকভাবে পালন করতে হবে।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
ভারত

0 facebook: