আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ পরীক্ষার
হলে হিন্দু পরিদর্শক নির্দেশ দিয়েছিলেন চেহারা থেকে নিক্বাব সরানোর জন্য। কারণ, ছবি
তুলতে হবে। সেই নির্দেশ মানতে চাননি ২৪ বছরের সেই মুসলিম ছাত্রী। জানিয়েছিলেন মুখমণ্ডলের নয়, শুধুমাত্র
চোখের ছবি তোলতে দেওয়াই উনার পক্ষে সম্ভব।
যদিও ছাত্রীটির সেই
প্রস্তাব মানেনি পর্যবেক্ষক। তা নিয়ে দু’জনের মধ্যে রীতিমতো উত্তপ্ত বাক্য
বিনিময় চলে। ছাত্রীটির দাবি,
শেষ পর্যন্ত নিক্বাব না সরানোর জন্য পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি
তাঁকে।
গত মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটে
ভারতের গোয়ার পানাজিতে। সাফিনা খান নামে ওই ছাত্রীর অভিযোগ, সে দিন ন্যাশনাল এলিজিবিটি টেস্টদিতে
গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কথায়,
‘‘পরীক্ষা হলে ঢোকার পর পর্যবেক্ষক আমার নিক্বাব সরাতে বলেন। আমি
তাঁকে জানাই এটা সম্ভব নয়। নিক্বাব সামান্য সরিয়ে চোখ দুটি দেখার ব্যবস্থা করে
দেওয়ার কথা জানাই। কিন্তু,
এই পর্যবেক্ষক কিছুতেই মানতে চাননি।’’
ছাত্রীটির আরও দাবি, ‘‘নিক্বাব না সারানোর জন্য সেদিন আমাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি।’’ পরে
ওই ছাত্রী আরও জানিয়েছেন,
বিষয়টি নিয়ে তিনি মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রীকে চিঠি লিখে অভিযোগ
জানিয়েছেন।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
ধর্মীয় বিদ্বেষ
মুসলিম নির্যাতন

0 facebook: