আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ তুরস্কের
ও প্রতিবেশী দেশ ইরান বছরে তিন হাজার কোটি ডলারের দ্বিপক্ষীয় বার্ষিক বাণিজ্য নেয়ার
প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। এ লক্ষ্য অর্জনে দু দেশ নিজেদের প্রচেষ্টা জোরদার করবে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি ও তুরস্কের সুলতান রজব তৈয়ব এরদোয়ান যৌথ সংবাদ
সম্মেলনে এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি
প্রেসিডেন্ট বলেছেন, মার্কিন
একতরফা নিষেধাজ্ঞার পরও তার দেশ ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে
এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে তিনি সঠিক পদক্ষেপ বলে মনে করেন না। সংবাদ সম্মেলনে দু
নেতা বলেছেন, মার্কিন
একতরফা নিষেধাজ্ঞার কারণে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতির ওপর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে
পারে।
এর আগে, ইরান-তুরস্ক
কৌশলগত সহযোগিতা বিষয়ক উচ্চ পরিষদের ৫ম সভায় অংশ নেন দু নেতা। সভা শেষে প্রকাশিত
যৌথ বিবৃতিতে দু দেশের মধ্যে সব ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করার
আহ্বান জানানো হয়। এতে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদার হবে বলে আশা করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যকার পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকার একতরফা বের
হয়ে যাওয়ার সমালোচনা করেন ইরান ও তুরস্কের নেতারা।
পরমাণু সমঝোতা রক্ষার
বিষয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা জোরদার করারও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে ইরান এবং তুরস্ক।
সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সরাসরি বলেছেন, তার দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন
করে না। তিনি বলেন, “ইরানের
বিরুদ্ধে যখন অন্যায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে তখন আমরা তেহরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা
অব্যাহত রাখব।” এছাড়া, সিরিয়ায়
শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ইরান,
তুরস্ক ও রাশিয়া একসঙ্গে চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও
তুরস্ক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুদিনের
সফরে তুরস্ক পৌঁছেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি। তার সঙ্গে রয়েছে একটি
উঁচু পর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
ব্যবসা ও বাণিজ্য


0 facebook: