![]() |
আন্তর্জাতিক
ডেস্ক।। রাশিয়ার অসন্তোষ আর উদ্বেগ সত্ত্বেও লিবিয়ায় সেনা পাঠানোর কথা জানিয়েছেন তুরস্কের
প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। উত্তর আফ্রিকার দেশটির অনুরোধেই এই সেনা পাঠানো
হচ্ছে তুরস্ক।
বার্তা
সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্যই মিলেছে। আগামী জানুয়ারিতে এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়নে
বিষয়টি পার্লামেন্ট উপস্থাপন করবেন তিনি। মাসখানেক আগে লিবিয়ার আন্তর্জাতিক স্বীকৃত
ফাইয়াজ আল সিরাজ সরকারের সঙ্গে দুটি চুক্তি সই করেছে আংকারা।
এর মধ্যে
একটি হচ্ছে, নিরাপত্তা
ও সামরিক সহায়তার, অন্যটি
পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে নৌসীমানা সংক্রান্ত।
মাসব্যাপী
লড়াইয়ে পূর্ব লিবিয়ায় খলিফা হাফতারের বাহিনীকে রুখে দিয়েছে সিরাজের জাতীয় ঐক্যের সরকার
(জিএনএ)। রাশিয়া, মিসর
ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থন পেয়েছেন হাফতার।
ক্ষমতাসীন
একে পার্টির এক অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় এরদোগান বলেন, সেখান
থেকে একটি অনুরোধ আসার পর সেটি আমরা গ্রহণ করেছি। পার্লামেন্ট চালু হলে এই সেনা পাঠানোর
ইস্যুটি আমরা সেখানে তুলবো।
প্রতিবেশী
লিবিয়ার সঙ্গে একটি সম্ভাব্য অস্ত্রবিরতিতে পৌঁছাতে সহযোগিতা করতে বুধবার তিউনিশিয়া
সফরে যান এরদোগান। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, জিএনএকে সমর্থন দিতে তুরস্ক ও তিউনিশিয়া
একমত হয়েছে।
লিবিয়ায়
তুরস্কের সম্ভাব্য সেনা মোতায়েন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। গত সপ্তাহে তুর্কি
প্রেসিডেন্ট বলেন, হাফতারকে
রুশ সমর্থিত ভাড়াটে খুনিদের সহায়তা চুপ থাকবে না তুরস্ক।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
তুরষ্ক

0 facebook: