Friday, December 27, 2019

গাজায় আবারও আক্রমণ করেছে ইহুদীবাদী সন্ত্রাসী ইসরাঈল!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। অবরুদ্ধ গাজায় আবারও আক্রমণ চালিয়েছে ইসরাঈল। বুধবার রাতে বিমান, হেলিকপ্টার এবং নৌযান নিয়ে ত্রিমুখী হামলা চালায় দখলদার বাহিনী। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্বাচনী সমাবেশ লক্ষ্য কোরে রকেট ছোঁড়ার জেরে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি তেল আবিবের। এদিকে, নভেম্বরের হামলায় একই পরিবারের ৯ ফিলিস্তিনি নিহতের ঘটনা ভুল ছিলো বলে জানিয়েছে ইসরাঈলি সেনাবাহিনী।

বুধবার সন্ধ্যায় আচমকাই রকেট সতর্কতা বেজে ওঠে ইসরাঈলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আশকেলনে। ওই সময় সেখানে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু। তৎক্ষণাৎ সমাবেশ সংক্ষিপ্ত কোরে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেন তিনি। ইসরাঈলি সামরিক বাহিনী জানায়, হামাস নিয়ন্ত্রিত অবরুদ্ধ গাজা থেকে ওই রকেট হামলা চালানো হয়। আকাশেই রকেটটি ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি তাদের। পরে মঞ্চে ফিরে প্রধানমন্ত্রী জানান, হামাস চাইলেও ইসরাঈলিদের প্রতিহত করতে পারবে না।

ইসরাঈলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছে, হামাস ও ইসলামি জিহাদ চায় না আমরা আসন্ন নির্বাচনে জয়ী হই। তাদের বিরোধিতা স্বত্বেও আমরা আবারও ক্ষমতায় আসবো। সন্ত্রাসীদের কঠোরভাবে দমনে আমরা বদ্ধপরিকর।

রকেট হামলার জন্য হামাসকে দায়ী করা হলেও, দায় স্বীকার করেনি কেউ। এরমধ্যেই, গাজায় হামাস ও ইসলামি জিহাদের অবস্থান লক্ষ্য কোরে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে ইসরাঈল। এতে অংশ নিয়েছে যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার এবং নৌযান। আক্রমণ চালানো হয়েছে অবরুদ্ধ গাজার পূর্ব, পশ্চিম, দক্ষিণ প্রান্ত থেকে।

নভেম্বরে দুই দিনের ইসরাঈলি হামলায় ৩৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন একই পরিবারের ৯ সদস্য। তখন ইসরাঈলি বাহিনী জানিয়েছিল, ইসলামি জিদাহ কমান্ডারের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তারা। তবে বুধবার এক বিবৃতিতে ইসরাঈলি বাহিনী জানায়, গোয়েন্দাদের দেয়া ভুল তথ্যের কারণে ওই পরিবারের ৯ সদস্য প্রাণ হারান। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা এড়িয়ে চলারও প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইসরাঈল।

২০০৭ সালে গাজা উপত্যকা অবরুদ্ধ করে ইসরাঈল। এ পর্যন্ত তিনবার যুদ্ধ করেও নিজেদের মুক্তো কোরতে পারেনি গাজার ফিলিস্তিনিরা। এসব যুদ্ধে হতাহত হয়েছেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। ১২ বছর ধরে ২০ লাখ ফিলিস্তিনি সেই অবোরোধের মধ্যেই বসবাস করছেন।


শেয়ার করুন

0 facebook: