Thursday, January 9, 2020

হিন্দুত্ববাদী প্রশান্ত কুমারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলাঃ পৌনে ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন


স্টাফ রিপোর্ট।। এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভারতপন্থী হিন্দুত্ববাদী প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে পৌনে ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করেছে দুদক। জানা গেছে, অবৈধ ব্যবসা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে পৌনে ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর এক সহকারী পরিচালক।

বুধবার কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী বাদী হয়ে মামলাটি করেন বলে সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছে।

মামলায় বলা হয়, প্রশান্ত কুমার অসৎ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করে।

এসব সম্পদ অর্জন করে নিজের দখলে রাখা, অর্থের উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা নিয়ন্ত্রণ উৎস আড়াল করাসহ অন্যান্য অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন- ২০০৪ এর ২৭(১) ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

মামলায় বলা হয়, লিপরো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও পিঅ্যান্ডএল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ছাড়াও বিভিন্ন কাগজে কোম্পানিতে প্রশান্ত কুমার হালদারের ১২৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকার সম্পত্তি রয়েছে, যা সে অবৈধভাবে অর্জন করেছে।

অন্যদিকে সে ময়মনসিংহের ভালুকায় ৫৮৯ শতক জমি কিনেছে, কিন্তু এর কোনো আয়ের উৎস সে দেখাতে পারেনি। সে ছলছাতুরির আশ্রয় নিয়ে বেনামে (অন্যদের নামে) ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা রেপটাইলস ফার্মের নামে প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে।

এছাড়া প্রশান্ত কুমার নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিতে বেনামে ৩৩ লাখ টাকা, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে বেনামে ২৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, আজিজ ফেবরিক্স লিমিটেডে বেনামে ৬৩ লাখ টাকা, আনান কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রিজে বেনামে চার কোটি ৯০ লাখ টাকা, একইভাবে ক্লীউইস্টন ফুড অ্যান্ড একোমোডেশনে ৩১ কোটি ৪৫ লাখ ২৬ হাজার ৪০০ টাকা, রহমান কেমিকেলে ৭০ লাখ টাকা বেনামে বিনিয়োগ করে।

দুদকের মামলায় বলা হয়েছে, প্রশান্ত কুমার হালাদার কয়েকটি ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় এসব টাকা উপার্জন করে। এসব টাকা আয়ের কোনো বৈধ উৎস নেই।


শেয়ার করুন

0 facebook: