আন্তর্জাতীক
ডস্ক।। ফিলিস্তিনের আল-বিরাহ
শহরের উত্তর প্রবেশদ্বারে অবস্থিত বিট এল চেকপয়েন্টের কাছে ‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’
এর প্রতিবাদে বিক্ষোভের সময়
দখলদার উগ্রইহুদিবাদী ইসরাঈলি বাহিনীর হামলায় দশজন যুবক আহত হয়েছে।
ফিলিস্তিনের রেড ক্রিসেন্ট আল
কুদসকে জানায়, আল বিরাহ শহরে আমাদের একটি দলের বিক্ষোভ মিছিলে দখলদার উগ্রইহুদিবাদী
ইসরাঈলি বাহিনী হামলা করলে সংঘর্ষ
হয়। এ সংঘর্ষে দশজন
আহত হয়েছে বলেও জানায় রেড ক্রিসেন্ট।
সূত্রমতে জানা যায়,
আহত দশজনের মধ্যে পাঁচজন রাবার
বুলেটের আঘাতে ও অপর দুইজন টিয়ার গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে আহত হয়েছেন। তিনজনের হাত পুড়েগেছে
টিয়ারশ্যালের আঘাতে। তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
রেড ক্রিসেন্ট জানায়,
বিক্ষোভ মিছিলটি রামাল্লার
রাস্তায় মার্চ করার পর ক্রুসেডার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’
এর সরকারী ঘোষণার প্রতিবাদে
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ইয়াসের আরাফাতের মাজারের দিকে এগিয়ে যায়। তারপরে উত্তর প্রবেশ পথে গেলে
সেখানে সংঘর্ষ শুরু হয় উগ্রিহুদীবাদি ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে।
অন্যদিকে,
একই সময় আরেকটি মিছিল পবিত্র জেরুসালেমের আল ইজারিয়া শহরে
উগ্রইহুদিবাদী ইসরাঈলিয় দখলদার বাহিনীর সাথে
সংঘর্ষের সময় টিয়ার গ্যাসে ১২ জন আহত হয়েছে। ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, আমাদের এই দলটি আল-আইজারিয়া শহরে মিছিল
করছিলো। সেসময় তাদের উপর হামলা
করে ইসলাঈলি সেনারা। এতে ১২ জন আহত হয়েছে। যাদের দুজনকে হাসপাতালে নেয়া
হয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মী মুহাম্মাদ আওদ
এক বিবৃতিতে বলেন, বাইত উম্মারের আসিদ আঞ্চলে উগ্রইহুদিবাদী দখলদার ইসরাঈলি বাহিনীর সাথে ফিলিস্তিনিদের
সংঘর্ষে ইহুদিবাদী ইসরাঈলি সন্ত্রাসীরা রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস
নিক্ষেপ করে।
উল্লেখ্য,
ফিলিস্তিন বিরোধী মধ্যপ্রাচ্য
বিষয়ক শান্তি পরিকল্পনা তথাকথিত ‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’
উপস্থাপন করেছেন ক্রুসেডার
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প। মঙ্গলবার হোয়াইট
হাউসে ইহুদিবাদী ইসরাঈলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন
নেতানিয়াহু ও আসন্ন নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্ধী
ইহুদিবাদী বেনি গান্টজের
সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে তিনি এই শান্তি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
সেই সময়
ক্রুসেডার ট্রাম্পের সঙ্গে
ছিলেন উগ্রইহুদিবাদী ইসরাঈলের সন্ত্রাসী
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন
নেতানিয়াহু। তাদের দাবি, তথাকথিত
‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’
বাস্তবায়িত হলে তা মধ্যপ্রাচ্যে
সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সহায়ক হবে।
বিতর্কিত এই শান্তি পরিকল্পনায়
উল্লেখ করা হয়েছে, মুসলিমদের ঐতিহাসিক জেরুজালেমের আল-কুদস শহর
উগ্রইহুদিবাদী ইসরাঈলের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত
থাকবে। ফিলিস্তিনের
স্বাধীনতাকামী আন্দোলনের সংগঠন হামাসের দখলে থাকা গাজা উপত্যকা মিশরের অধীনে দেয়া
হবে। আর অধিকৃত পশ্চিম
তীরের একাংশ জর্ডানের এবং অবশিষ্ট অংশ চলে যাবে
ইহুদিবাদী ইসরাঈলে। প্রত্যেক দেশই ফিলিস্তিনিদের
নাগরিকত্ব দেবে।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক

0 facebook: