![]() |
আন্তর্জাতীক ডেস্ক।। উগ্রহিন্দুত্ববাদী ভারতের
সীমান্ত সন্ত্রাসী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে
নৃশংসভাবে খুন হওয়া বাংলাদেশের
কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যা মামলার আপিল শুনানির আবেদন দেশটির সুপ্রিম কোর্টে উঠেছে। শুক্রবার
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি ওয়াই
চন্দ্রচুড়
এবং বিচারপতি কে এম যোশেফের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই আপিলের শুনানি শুরু হয়। এদিন
প্রাথমিক শুনানি শেষে আগামী ১৮ মার্চ পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
বাংলাদেশ-উগ্রহিন্দুত্ববাদী
ভারত
সীমান্তে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর-দিনহাটা সীমান্তের খিতাবেরকুঠি এলাকায় ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি উগ্রহিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী বিএসএফের
সদস্যরা ফেলানী খাতুনকে
গুলি করে হত্যা করে। সন্ত্রাসী
বিএসএফ
১৮১ ব্যাটালিয়নের চৌধুরীহাট ক্যাম্পের জওয়ানদের এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়। ফেলানীর লাশ পাঁচ
ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে
ছিল। বাবার সঙ্গে ফেলানী নয়াদিল্লিতে গৃহকর্মীর কাজ করত। বিয়ের উদ্দেশে সে দেশে ফিরছিল।
২০১৫ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ বা
মাসুমের সম্পাদক
কীরিটি রায় এবং ফেলানীর বাবা মো. নূর ইসলাম ফেলানী হত্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার জন্য
ভারতের সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট করেন। রিট আবেদনে বিবাদী করা হয় ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের মুখ্য সচিব, সন্ত্রাসী বিএসএফের মহাপরিচালক এবং সিবিআইর
পরিচালককে।
উগ্রহিন্দুত্ববাদী বিএসএফের
যে সন্ত্রাসীর
গুলিতে ফেলানীর মৃত্যু হয়েছিল,
সেই হিন্দুত্ববাদী অমিয় ঘোষ নির্দোষ প্রমাণিত হয়। উগ্রহিন্দুত্ববাদী বিএসএফের
বিশেষ আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেয়। এরপর সন্ত্রাসী বিএসএফের
রায় পুনর্বিচার করার সিদ্ধান্ত হয়। পুনর্বিচারেও অমিয় ঘোষকে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। এরপর
ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
ভারত

0 facebook: