![]() |
ড্যান প্যাট্রিক বলে, আমার বার্তা হলো, আসুন আমরা আবার কাজে ফিরে যাই। আসুন জীবন ফিরে পাই। আসুন আমরা জীবন সম্পর্কে স্মার্ট থাকি। আমরা
যারা ৭০ বছর
বয়সের বেশি, আমরা
নিজের যত্ন নেবো।
প্যাট্রিক বলেন,
দেশকে
ত্যাগ করবেন না। এটি করবেন না।
প্যাট্রিক জানায়, সে ভয় পেয়েছিল যে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনস্বাস্থ্যের
বিধিনিষেধের বিষয়টি মার্কিনিদের জীবনকে শেষ করে দিতে পারে। সে নাতি-নাতনীদের (পরবর্তী প্রজন্ম ) জন্য
অর্থনীতি রক্ষায় মৃত্যুর
ঝুঁকি
নিতে রাজি আছে।
সে বলে, একজন প্রবীণ নাগরিক
হিসেবে আমার কামনা আমার প্রাণের বিনিময়ে হলেও নাতি-নাতনীরা বেঁচে থাকুক।
সে আরো বলে, আমার মনে হয় আমার মতো এই দেশে প্রচুর দাদা-দাদি আছে।
সোমবার রাতে হোয়াইট হাউসে করোনভাইরাস নিয়ে ব্রিফিংয়ে কথা
বলেছে ডক্টর ডেবোরাহ ব্রিক্স।
সে বলে, ইউরোপ থেকে প্রাপ্ত
তথ্যমতে জানা গেছে যে, করোনাভাইরাসের কারণে মৃতদের মধ্যে ৯৯ শতাংশের
বয়সই ছিল ৫০ বছরের বেশি।
অনেকে
আগে থেকেই অসুস্থ
ছিল।
ব্রিক্স বলে,
এ
তথ্য প্রবীণদের রক্ষার বিষয়ে প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে কোনো ধরনের হেরফের করে না।
এদিকে,
করোনাভাইরাসের
কারণে গৃহীত প্রতিরোধ ব্যবস্থা কারণে মার্কিন অর্থনীতিতে যে ক্ষয়ক্ষতি হবে সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ক্রুসেডার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সে জানায়, তার প্রত্যাশা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেশে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে। (করোনার
কারণে) অর্থনৈতিক সঙ্কটের ফলে আরও বেশি লোক মারা যেতে পারে। তারা এই সঙ্কটে
আত্মহত্যার মাধ্যমে মৃত্যুবরন করতে পারে।
বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারীর চেয়ে এর প্রভাব বেশি হতে পারে বলে
মন্তব্য করে ট্রাম্প।
সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্র

0 facebook: