![]() |
আন্তর্জাতিক
ডেস্ক।। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স
এজেন্সি (সিআইএ) ও ভারতের রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র) সহ বৈদেশিক গোয়েন্দা
সংস্থার অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ‘নেপাল
স্পেশাল সার্ভিস বিল ২০১৯’
নামে একটি নতুন বিল নেপালের পার্লামেন্টে উপস্থাপন করা হয়েছে। খবর
নেপালের পত্রিকা মাই রিপাবলিকার।
বিলে
বলা হয়, গুপ্তচরবৃত্তি, নাশকতা
ও বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকা- নিয়ন্ত্রণ রাখা প্রয়োজন। এছাড়া দেশের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, অখ-তা
ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। বিলের ১০ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়, ব্যক্তি
বা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কিছু সন্দেহজনক হলে তার অডিও বা অডিও আলাপচারিতা নজরদারির আওতায়
আনা যাবে।
দেশটির
জাতীয় পরিষদের সদস্য, কম্যুনিস্ট
পার্টির আইনপ্রণেতা রাম নারায়ণ বিদারি বলেন, ‘নেপালের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাক গলাচ্ছে
সিআইএ ও র’র
মতো বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আনা উচিত। আমি বিশ্বাস
করি, এই
বিল প্রণীত হলে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তাদের অযাচিত হস্তক্ষেপ কমবে।’
জাতীয়
পরিষদে এ বিষয়ে এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী যুবরাজ খাতিওয়াড়াও বিলের স্বপক্ষে বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন, এই
বিল দেশের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা বাহিনীকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যেই প্রণয়ন করা হচ্ছে, যেন তারা
জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব
ও অখ-তার প্রতি হুমকি রুখে দিতে পারে।
তবে প্রধান
বিরোধী দল নেপালি কংগ্রেস এই বিল নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের বিরোধিতা সত্ত্বেও সরকার
সোমবার এই বিল জাতীয় পরিষদে উত্থাপন করেছে। এই বিল পাস হলে নেপালের নিজস্ব গোয়েন্দা
সংস্থা, বিশেষ
করে জাতীয় তদন্ত বিভাগ সন্দেহভাজন বৈদেশিক এজেন্টদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
আমেরিকা
এশিয়া
ভারত

0 facebook: